প্রতিদিন প্রায় ৬৮ লাখ টাকার বিভিন্ন জাতের সাদা মাছ, চিংড়ি ও কাঁকড়া বিক্রি হচ্ছে,বাগেরহাটের,রামপালে।

প্রতিদিন প্রায় ৬৮ লাখ টাকার বিভিন্ন জাতের

প্রতিদিন প্রায় ৬৮ লাখ টাকার বিভিন্ন জাতের সাদা মাছ, চিংড়ি ও কাঁকড়া বিক্রি হচ্ছে,বাগেরহাটের,রামপালে।

রামপাল,বাগেরহাট প্রতিনিধি,অভয়নগরবার্তাঃ

প্রতিদিন প্রায় ৬৮ লাখ টাকার বিভিন্ন জাতের সাদা মাছ, চিংড়ি ও কাঁকড়া বিক্রি হচ্ছে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ৬টি মৎস্য আড়ৎ থেকে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষ জানান, খুলনা- প্রতিদিন প্রায় ৬৮ লাখ টাকার বিভিন্ন জাতের সাদা মাছ, চিংড়ি ও কাঁকড়া বিক্রি হচ্ছেমোংলা মহাসড়কের গা ঘেষে গড়ে ওঠা ফয়লাহাট বাসস্ট্যান্ড, রণসেন, ভাগা, ঝনঝনিয়া চেয়ারম্যান মোড়, বাবুরবাড়ি জিরোপয়েন্ট ও ভরসাপুর বাসস্ট্যান্ডে এসব মৎস্য আড়ত।

এসব আড়তে গড়ে প্রতিদিন ২২ মে.টন বিভিন্ন প্রকার সাদা মাছ, চিংড়ি ও কাঁকড়া সকাল বিকাল ক্রয়-বিক্রয় হয়। এসব মাছের মধ্য ১৬ মে.টন সাদা মাছ, ২ মে.টন কাঁকড়া ও ৪ মে.টনের মতো চিংড়ি মাছ ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে। এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬৮ লাখ টাকা।

তথ্য সূত্র‌ে জানা গেছে এসব আড়ত থেকে সাদা মাছ ক্রয় করে তা ঢাকা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুরসহ বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। তবে চিংড়ি মাছ সাধারণত খুলনা অঞ্চলেই হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি প্রক্রিয়াজাত কারখানায় পাঠানো হয়। সেখান থেকে মোংলা বন্দর দিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা হয়।

পাশাপাশি কাঁকড়া ক্রয় করে ব্যবসায়ীরা ঢাকায় নিয়ে যান। সেখান থেকে সরাসরি বিদেশে রপ্তানি করা হয় বলে ব্যবসায়ীরা জানান। রামপালের এ ৬টি মৎস্য আড়তে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে অনেকেরই। প্রায় ৪ শতাধিক পায়কারি ও খুচরা ব্যবসায়ী রয়েছেন। খুচরা ব্যবসায়ীরা এসব আড়ত থেকে মাছ ক্রয় করে বিভিন্ন হাটে বাজারে খুচরা মূল্যে বিক্রি করেন। প্রতিটি আড়তে ব্যবসায়ীদের পৃথক পৃথক ঘর রয়েছে।

একজন সাদা মাছ ব্যবসায়ী জানান, তারা এ এলাকার আড়ত থেকে সাদা মাছ, চিংড়ি ও কাঁকড়া ক্রয় করে ঢাকা ও খুলনায় বিক্রি করেন। পরিবহন ব্যবস্থা সহজলভ্য হওয়ায় ব্যবসায়ীদের অনায়াসেই মাছ বিভিন্ন বাজারে পাঠানোর সুবিধা থাকায় দিন দিন এ অঞ্চলে মৎস্য আড়ৎ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি খুলনা- মোংলা মহাসড়কের বাবুরবাড়ি জিরোপয়েন্টে একটি মাছের আড়ৎ গড়ে উঠেছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য তালুকদার আ. খালেক ওই সৎস্য আড়তের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর থেকে প্রতিদিন সকাল বিকাল লাখ লাখ টাকার মাছ ও কাকড়া বিক্রি হচ্ছে। এ আড়তের পরিচালক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তপন কুমার গোলদার বলেন, এ আড়ত প্রতিষ্ঠার পর থেকে মোংলার দিগরাজসহ রামপাল উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মাছ প্রতিদিন ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে যা মৎস চাষী ও ব্যবসায়ীদের এই পেশায় আরো উৎসাহ যোগাচ্ছে।

Leave a Reply