দেশের ৮৬টি পরিবারকে ‘কর বাহাদুর’ খেতাব দেয়া হচ্ছে।

অনলাইন ডেস্ক,অভয়নগরবার্তাঃ

দেশের ৮৬টি পরিবারকে ‘কর বাহাদুর’ খেতাব দেয়া হচ্ছে। করদাতা বৃদ্ধি ও করবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির পাশাপাশি করদাতাদের উৎসাহ দিতে সারাদেশে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এরই ধারাবাহিকতায় নিয়মিত কর দেয়ার জন্য দেশের ৮৬টি পরিবারকে ‘কর বাহাদুর’ খেতাব দেয়া হচ্ছে। এ তালিকায় রয়েছে ঢাকার ১৬ পরিবার।

গত ১ নভেম্বরে শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলা শেষ হচ্ছে আজ মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর)। মেলা শেষে আগামীকাল ৮ নভেম্বর (বুধবার) দুপুর ১২টায় রাজধানীর আগারগাঁও নির্মাণাধীন জাতীয় রাজস্ব ভবনে ‘কর বাহাদুর’ পরিবার ও ‘সেরা করদাতা’ সম্মাননা দেবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

সারাদেশে যেসব করযোগ্য পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে কর দিয়ে আসছেন তাদের তালিকা সংগ্রহ ও যাচাই করেছে এনবিআর। যাচাই শেষে ৮৬টি পরিবারের তালিকা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিয়মিত করদাতাদের ‘কর বাহাদুর’ খেতাব দিয়ে পুরস্কৃত করা প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। চলতি বছরের ১ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করার সময় তিনি এই প্রস্তাব দেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যে পরিবারের সব সদস্যই কর দেন এবং দীর্ঘদিন ধরে কর দেন তাদেরকে আমি ‘কর বাহাদুর’ খেতাব দেয়ার প্রস্তাব করছি।’

এ বছর কর বাহাদুর পদক পাচ্ছেন যে সমস্ত পরিবারঃ

তালিকার মধ্যে ঢাকায় রয়েছে ১৬ পরিবার। যার মধ্যে রয়েছে- খাজা তাজমহল ও তার পরিবার, এবিএম শফিউল আলম ও তার পরিবার, লতিফুর রহমান ও তার পরিবার, সৈয়দ হাসান ইমাম ও তার পরিবার, কুতুব উদ্দিন আহমেদ ও তার পরিবার, আবদুস সালাম মুশের্দী ও তার পরিবার, আবদুল কাদের মোল্লা ও তার পরিবার, হাজী মো. কাউছ মিয়া ও তার পরিবার, সৈয়দ আবুল হোসেন ও তার পরিবার, আবদুল হক ও তার পরিবার, সৈয়দ নূরুল ইসলাম ও তার পরিবার, আহমেদ আকবর সোবহান ও তার পরিবার, একেএম রহমতুল্লাহ ও তার পরিবার, আবদুল মাতলুব আহমেদ ও তার পরিবার।

চট্টগ্রামে রযেছেন আট পরিবার, তারা হলেন- আলী হোসাইন আকবর আলী ও তার পরিবার, আবুল হাশেম ও তার পরিবার, একেএম শামসুদ্দীন খান ও তার পরিবার, ফরিদ আহমেদ ও তার পরিবার, জোহাইর তাদের আলী ও তার পরিবার, নুরুল ইসলাম বিএসসি ও তার পরিবার, মো. এম জালাল উদ্দিন চৌধুরী ও তার পরিবার, নুর নাহার জামান ও তার পরিবার।

এছাড়া নারায়নগঞ্জে জসিম উদ্দিন মাসুম ও তার পরিবার, মুন্সীগঞ্জে মজিবুর রহমান ও তার পরিবার, মানিকগঞ্জে সৈয়দ সোহেল ইমাম ও তার পরিবার, গাজীপুরে প্রফেসর আবদুল বারী ও তার পরিবার, টাঙ্গাইলে যুগলপদ শাহা ও তার পরিবার, নরসিংদীতে মাঞ্জু মিয়া ও তার পরিবার, ময়মনসিংহে আব্দুর রশিদ ও তার পরিবার, কিশোরগঞ্জে ভাস্কর কুমার দত্ত ও তার পরিবার, শেরপুরে জয়নাল আবেদীন ও তার পরিবার, নেত্রকোনায় পিযূষ কান্তি ভৌমিক ও তার পরিবার, জামালপুরে মির্জা আযম ও তার পরিবার, ফরিদপুরে রবীন্দ্রনাথ সাহা, রাজবাড়ীতে জিল্লুল হাকিম ও তার পরিবার, গোপালগঞ্জে কাজি শওকত আলী ও তার পরিবার, মাদীপুরে শাহজাহান খান ও তার পরিবার, শরীয়তপুরে ডা. মো. মনিরুজ্জামান ও তার পরিবার, কক্সবাজারে মো. মোস্তফা ও তার পরিবার।

বান্দরবানে মাহবুবুর রহমান ও তার পরিবার, সিলেটে ফজলে হাসান ফেরদৌস ও তার পরিবার, মৌলভীবাজারে মতলুব খান ও তার পরিবার, হবিগঞ্জে সুখলাল সূত্রধর ও তার পরিবার, সুনামগঞ্জে আজিজুর রহমান ও তার পরিবার, কুমিল্লায় আফজাল খান ও তার পরিবার, নোয়াখালীতে আবুল খায়ের ও তার পরিবার, লক্ষীপুরে আবু সায়েদ ও তার পরিবার, ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় মো. হেলাল উদ্দিন ও তার পরিবার, চাঁদপুরে আবদুল মান্নান খান ও তার পরিবার, ফেনীতে নুর জাহান বেগম ও তার পরিবার, রাজশাহীতে আব্দুল গাফফার ও তার পরিবার, পাবনায় স্যামুয়েল এস চৌধুরী ও তার পরিবার, নাটোরে কাইয়ূম খান ও তার পরিবার।

নওগাঁয় শেখ আজাদ হোসেন ও তার পরিবার, চাঁপাইনবগঞ্জে এফ কে এম লুৎফর রহমান ও তার পরিবার. বগুড়া মতিয়ার রহমান ও তার পরিবার, সিরাজগঞ্জে সানোয়ার হোসেন ও তার পরিবার, গাইবান্ধায় আবদুল লতিফ হাক্কানী ও তার পরিবার, জয়পুরহাটে আবদুল হাকিম মন্ডল ও তার পরিবার, রংপুরে মহুবর রহমান ও তার পরিবার, দিনাজপুরে আকিল আহমেদ ও তার পরিবার, ঠাকুরগাঁওয়ে মোকসেদুল আলম ও তার পরিবার, পঞ্চগড়ে শফিক হোসেন ও তার পরিবার, নীলফামারীতে ওহিদুল হক ও তার পরিবার, লালমনিহাটে ফজলুল হক ও তার পরিবার, কুড়িগ্রামে মো. মইজ উদ্দিন ও তার পরিবার, বরিশালে আবদুর রাজ্জাক ও তার পরিবার, ঝালকাঠিতে সালাউদ্দিন আহমেদ ও তার পরিবার।

পিরোজপুরে মজিবুর রহমান খালেক ও তার পরিবার, পটুয়াখালীর মো. শাহজাহান মিয়া ও তার পরিবার, ভোলায় সানা উল্লাহ ও তার পরিবার, বরগুনায় হেনেরা বেগম ও তার পরিবার, খুলনায় এমএম এ সালাম ও তার পরিবার, যশোরে শফিউর রহমান মল্লিক ও তার পরিবার, চুয়াডাঙ্গায় রকিবুল ইসলাম ও তার পরিবার, মাগুরা মো. রজব আলী মজনু ও তার পরিবার, সাতক্ষীরায় গোলাম রব্বানী ও তার পরিবার, নড়াইলে ওয়াহিদুজ্জামান ও তার পরিবার, কুষ্টিয়ায় মজিবর রহমান ও তার পরিবার, ঝিনাইদহে দুলাল কুমার চক্রবর্তী ও তার পরিবার, মেহেরপুরে আবদুস সালাম ও তার পরিবার, বাগেরহাটে মীর শওকত আলী বাদশা ও তার পরিবার।

৬৪টি জেলার মধ্যে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে কোনো কর বাহাদুর পরিবার খুঁজে পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply